নোয়াখালীতে জেলা যুব ফোরামের ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি

“খাদ্য ব্যবস্থার রূপান্তরঃ মানুষ ও পৃথিবীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায়যুব উদ্ভাবন”শীর্ষক প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট)পালিত হলো আন্তর্জাতিক যুবদিবস। এ উপলক্ষ্যে নোয়াখালী জেলা যুব ফোরামের উদ্যোগে এবং উন্নয়ন সংগঠন এনআরডিএস এর সহায়তায় ওয়েবিনারের আয়োজন করা হয়। এনআরডিএস এর কর্মী নূরে আলম সিদ্দিকী ও ইফতেখার আমীন এর যৌথ সঞ্চালনায় ওয়েবিনারে ৫০জন যুবা প্রতিনিধি অংশ নিয়ে তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন। মহামারীকালীন এই সময়ে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে, জৈব পদ্ধতি ব্যবহার করে কৃষি ভূমির উর্বরতা রক্ষা, খাদ্য ব্যবস্থার বিপর্যয় এবং সমন্বয়হীনতাকে কমিয়ে আনা ইত্যাদি বিষয়ে অংশীদারী হিসেবে যুবসম্প্রদায়ের দায়িত্ব রয়েছে বলে অংশ গ্রহণকারীরা মতামত ব্যক্ত করেন।

ওয়েবিনারের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে রাখেন এনআরডিএস’র নির্বাহী পরিচালক আবদুলআউয়াল। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন এশিয়া ফাউন্ডেশনের গর্ভন্যান্স ডিরেক্টর ইকবাল মাহমুদ। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী জেলা নাগরিক অধিকার জোটের আহ্বায়ক এডভোকেট মোল্লা হাবিবুর রাছুল মামুন ও নোয়াখালী নারী অধিকার জোটের আহ্বায়ক লায়লা পারভীন। ওয়েবিনারে ধারণা পত্র উপস্থাপন করেন এনআরডিএস’র কর্মী রুনা আক্তার।

এ সময় এনআরডিএস নির্বাহী প্রধান বলেন, যুব নেতৃত্ব এবং সুষম সমাজ বিনির্মানে তরুণ অংশগ্রহণই পারে আমাদের পৃথিবীকে বদলে দিতে। যুব প্রতিনিধি আবুবকর সিদ্দিক বলেন, “পণ্য পরিবহনে সহজলভ্যতা, কৃষি পন্যের বিপণন এবং উন্নত বাজার ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য যুব সম্প্রদায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। একই সাথে সমন্বিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং প্রয়োগে প্রতিবন্ধকতা না থাকলে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।”যুবপ্রতিনিধি ওমরফারুক বলেন, “যুবারা চাইলে দরিদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের বিভিন্ন তথ্য দিয়ে সহায়তা করার পাশাপাশি স্থায়িত্বশীল কৃষিচর্চার ক্ষেত্রে তাদেরউদ্বুদ্ধ করতে পারে। ফলে কৃষিজ উৎপাদনের গুনগত মান রক্ষা যেমন সম্ভব হবে তেমনি বাজারমুখী বিপণন ব্যবস্থায় কৃষকের উৎপাদিত পন্য মধ্য স্বত্বভোগীদের হাত থেকে রক্ষা করা যাবে।”

বক্তরা আরো বলেন, বর্তমান পৃথিবীতে আধুনিক উৎপাদন মুখী চাষাবাদের ফলে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাহিদা অনুযায়ীখাদ্য উৎপাদিত হচ্ছে। খাদ্যের সংকটনা থাকলেও বিশ্বব্যাপী মোট জনসংখ্যার ৮.৯% এখনো অনাহারে থাকে। এর জন্য খাদ্য উৎপাদন ব্যবস্থা নয়,মূলত খাদ্য ব্যবস্থাপনা ও দায়িত্বহীন ভোগবাদই দায়ী। উৎপাদিত খাদ্য পন্য সঠিক নিয়মে সকল মানুষের নিকট পৌঁছানো সম্ভব না হওয়ায় খাদ্য সংকট তৈরি হচ্ছে। বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও মোট জনসংখ্যার প্রায় এক চতুর্থাংশ মানুষ এখনো খাদ্য সংকটে ভুগছে; যে টি করোনা অতিমারীর কারনে আরো বাড়তেপারে বলে বিশেষজ্ঞরা আশংকা করছেন। আজ সন্ধ্যায় উন্নয়ন সংগঠন এনআরডিএস এর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

 

শেয়ার করুনঃ

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  • আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

    রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
     
    ১০১১১২১৩
    ১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
    ২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
    ২৮২৯৩০